গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬ এ ০৪:০৫ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ১১-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ১১-০৫-২০২৭
১১ মে ২০২৬ তারিখে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট শাখা কর্তৃক শুনানী গ্রহণক্রমে গাজীপুর জেলার কোয়াট্রো ফ্যাশন লিঃ (সিপিপি) কে ৪০,০০০/- টাকা, ফর্টিস গার্মেন্টস লিমিটেড (সিপিপি) কে ৪০,০০০/- টাকা, ফরিদপুর জেলার কেয়ার স্পেশালাইজড ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার কে ২৫,০০০/- টাকা, কিশোরগঞ্জ জেলার বটতলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে ২৫,০০০/- টাকা, শেরপুর জেলার নিরাময় ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে ২০,০০০/- টাকা এবং ঢাকা মহানগরের হোটেল গাউছিয়া ইন্টারন্যাশনাল কে ৭৫,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়।
১১ মে ২০২৬ তারিখে বায়ুদূষণকারী অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) অনুসারে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকা জেলার সাভার এলাকায় ০১ টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে মেসার্স এ বি এন এন্ড কোং নামক ০১ টি ইটভাটার চিমনী ভেঙ্গে ইটভাটাটি উচ্ছেদ করা হয় এবং ইটভাটার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। যানবাহনের অতিরিক্ত কালোধোঁয়া নির্গমন এবং শব্দদূষণ বিরোধী মোবাইল কোর্ট অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক নওগাঁ, কুস্টিয়া, চট্টগ্রাম ও বগুড়া জেলায় ০৪ টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ১৩ টি মামলার মাধ্যমে ৩২,৫০০/-(বত্রিশ হাজার পাঁচশত ) টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয় এবং ৩০ টি হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ করা হয়। এছাড়া কয়েকটি যানবাহনের ড্রাইভারকে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান করা হয়। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা বায়ুদূষণ করার দায়ে পাবনা ও কুস্টিয়া জেলায় ০২ টি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ০৩ টি মামলার মাধ্যেমে ২২,৫০০/- (বাইশ হাজার পাঁচশত টাকা) জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয় এবং পার্শ্ববর্তী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকগণকে সতর্ক করা হয়। এছাড়াও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ সামগ্রী ঢেকে রাখা ও তাৎক্ষনিকভাবে সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) অনুযায়ী ঢাকা মহানগরের দক্ষিণ রায়েরবাগ, কদমতলী ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ০২ টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করে এন এন ওভেন লেভেল এন্ড এক্সেসরিজ নামক কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং কারখানাটির কার্যক্রম সম্পূর্ণরুপে বন্ধ করা হয়। আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে সীসা কারখানা স্থাপন করে সার্বিক পরিবেশ দূষণ করায় ঢাকা মহানগরীর চাঁদ উদ্যান, রায়ের বাজার, মোহাম্মদপুর, ঢাকার কয়েকটি স্থান যথা- ১) চাঁদ উদ্যান হাউজিং সোসাইটি,২) বেরিবাধ, রায়ের বাজার, চাঁদ উদ্যান ৩) লাউতলা মোর, ৩ ও ৪ নম্বর রোড, লাউতলা শিশু পার্ক এলাকা,চাঁদ উদ্যান মোহাম্মদপুর, ৪) চৌরাস্তা, বেরিবাধ এবং চাঁদ উদ্যান আবাসিক এলাকার আরো কয়েকটি স্থানে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় ।